গদ্য কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গদ্য কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪

রথীন বন্দ্যোপাধ্যায়


অন্য গর্তের দিকে  







বৃষ্টির সম্ভাবনায় বেরিয়ে এসেছি গর্ত থেকে। আমরা সবাই সারিবদ্ধ বেরিয়ে পড়েছি। প্রত্যেকে সামর্থ অনুযায়ী ভবিষ্যতের রসদ নিয়ে দ্রুত ছুটে চলেছি। আগামী প্রজন্মের ডিম নিয়ে চলেছি, সুশৃঙ্খল, পিঁপড়ের দল, মাটির সমান্তরালে শরীর নিয়ে চলেছি নিরাপদ অন্য কোনও গর্তের দিকে যেখা‌নে বৃষ্টিপাত নেই





সোমদত্তা


নিঃসঙ্গ স্মৃতি



 

ঘুঘু ডাকা  অলস দুপুর , 

পায়রাটার বকবকম  

নিস্তব্ধতা  আরো  বাড়িয়ে  দিচ্ছে। 

নারকেল  গাছের  পাতার ফাঁক দিয়ে  

হালকা শীতের হাওয়া , 

মরা রোদ কার্ণিশে  ছড়িয়ে  রেখেছে 

চলে যাবার আগের বার্তা। 

আমি  দাঁড়িয়ে  আছি  সময়ের কিনারায়, 

কেয়োকার্পিন হেয়ার অয়েলের গন্ধ আসছে , 

কেউ কি মাখছে? 

মায়ের গন্ধ। 

নাকে আসে  চারমিনারের তীব্র  গন্ধ , 

বাবা বাড়ি  ফিরছে অফিস  থেকে। 

আজো সেই  তামাকপাতার গন্ধটা নেশা ধরায়। 

আমি  হাঁটছি, একাল আর সেকালে... 

এই ঘুমন্ত দুপুর  আর কোন 

স্মৃতির গন্ধ  আনে না, 

কারো ছোঁয়া  দেয় না , 

আমার ঘ্রাণ শক্তি  সীমিত  হচ্ছে  ধীরে ধীরে।।


বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪

অনিন্দ্য পাল

ক্যাকোফোনি  




নকল মানচিত্রে হাপিত্যেশ খুঁজেছ আত্ম-প্রতিকৃতি 

প্রাচীন কিছু কি তোমার যোগ্য ছিল কোনও কালে? 

হেরে যাবার পর কণ্ঠমালায় সরীসৃপের প্রত্নহাড় 

'গুগল' দেবতা তোমার, মিথ্যে সব ইতিহাস সুকৃতি, 


ডাইনোসর কেঁদেছে কখনও, শুনিনি আমরা কেউ 

জীবাশ্মে
আঁকা ক্ষয়লিপি তবু বলে দেয় অশ্রুসকল 

আঁকা আছে ধ্বংসের পতনশব্দ আকুল প্রত্নগর্জনে 

তবু তোমাকে দিয়েছি সম্মানমালা সিদ্ধ নিপাতনে... 


চারাগাছ থেকেই তুমি উধাও শৈশব  

অসময়ের অজ্ঞতায় মেখেছ অহংকার ধুলো 

মানচিত্রে ত্রুটি যেটুকু আঁকা ছিল ছাপিয়ে গেছ 

সেসব, কিনেছ প্রহসন আর সম্মান-বৈভব... 


হারিয়ে গেছে যা কিছু সময়ের রন্ধ্রকোটরে

নেই সে সব, বলেছ প্রচারে চিৎকারে 

তুমিও ছিলে না একদিন, থাকবে না আবার 

পদচিহ্ন কি থেকে যাবে তবে কোন বাতিল লেখ্যাগারে... 


বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২২

শম্পা মাহাতো

পৌষ



 

আমাদের গল্পের পাশ দিয়ে শববাহী ম্যাটাডোর যায়। রাস্তায় ছড়িয়ে থাকে উড়ো খই। গল্পে আমরা ভ্রমণ করি দূর দিনে। নেই নেই করে যে দিন কেটেছে গিয়ে বসি তার ওমে।

 

হাওয়াকে প্রশ্ন করি অমরত্ব কে চেয়েছে!

আমরা তো শুধু……….

 

অসমাপ্ত কথা ফুৎকারে উড়িয়ে সে বয়ে চলে

 

আমাদের গল্পেরা বাঁধ মানে না

কান্নাও হেরে যায়

 

হাওয়া ফিরে এসে মৃতদেহের খবর শোনায় ছাইপাশ

 

আমরা টের পাই পৌষমাস।


অনন্যা ব্যানার্জী

 

সেই সব অবুঝের গল্প 
 

 





শেষবার

নাঃ শেষতম বার শুদ্ধতার প্রসঙ্গে এসে হেরে গেলাম ।

হেরে যেতে কখনোই চাই নি

বরঞ্চ বারবার জিতে যাওয়াই বাঞ্ছনীয় ছিল।

আসলে দোষ আমার ই -

শুদ্ধতা সম্পৰ্কীয় তত্ত্ব এবং তথ্যে ভীষণ রকমের অজ্ঞ আমি ।

সেইসব প্রবল দাবদাহে ভালোবাসার গল্প বলে যারা

 তাদেরই সেই অলৌকিক আগুনপাখির গল্পে নাকি লুকিয়ে থাকে এর সংজ্ঞা ।

আমার মত ব্রাত্যেরা শুধু গল্প শোনে আর বোঝে নিমগ্নতা , খুঁজতে থাকে ডুবে যাওয়ার ইঙ্গিত , ইতিউতি সবুজের উপাদান ।

 

সেই সব টুকিটাকি সবুজের উপাদানকেই আমি ভালোবাসা বলি আর ওই নিমগ্নতাটুকু শ্মশানের আকর্ষণ । দ্য আল্টিমেট ডেস্টিনেশান।

 

বাদবাকি সত্বায় কেউ বাঁধিয়ে রেখে যায় কিছু পাহাড়, অরণ্য , সমুদ্রের টুকিটাকি ডি এস এল আর ফটোগ্রাফি ।আর তিরতির করে বয়ে চলা পাহাড়ি নদীর বুকে পা ডুবিয়ে বসে থাকা আমার একান্ত দিনলিপি জুড়ে বাজতে থাকে

" Now would you die , for the one you love

Hold me in your arms tonight -------

-------- you can take my breath away "

 

 


সম্পাদকের কলমে

মাস আসে মাস যায়। বছর গড়ায় বুলেট ট্রেনের গতিতে। নিরীহ মানুষ, হাভাতে মানুষ, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ থাকে তার নির্দিষ্ট ঘূর্ণি আবর্তে। পৃথিবীর...